"After coming back to Bangladesh, there weren’t a lot of people who looked like me. There were a lot of cis spaces and lot of gay men."

This is probably a reflection of my reflections and short disclaimer. A lot of the times during the recordings, I was a little confused because I was talking to you as my friend but there was this awareness of being interviewed. So there's a lot of nervous laughter. I am also very uncomfortable with constructing a cohesive narrative of myself because I am a very fragmented person. After listening to this, I was feeling that this recording sounds way more coherent. I am laughing a lot. There are a lot of gaps or I'm glossing over a lot of things. I'm cracking jokes, which I would crack with you but not necessarily with random people who will hear it [this recording] or even other members in your team. I wouldn't crack these jokes with them or in front of other people in general. So I thought about how I am having a serious conversation with you in a laughing mode but I'm talking about things like trauma. But since I do not verbally detail them it sounds like ‘hahaha, that happened.’ But these were very heavy conversations that I was trying to share with you. This is my own issue. I face problems being in the memory lane. This was one thing... I like to be very mindful and very careful about what I'm saying. But usually what happens is that I can't do the same when I describe things from my memory because a lot of times that is like a stream of consciousness. I can't stop them. So I was just speaking and said some things that are not true. I mean, I just remember them wrong because of my fragmented self and because I was gaslighted by people. My confidence level falls from 100 to 0 in a moment.

এইটা মনে হয় আমার রিফ্লেকশনের রিফ্লেকশন এবং ছোটো একটা ডিসক্লেইমার। রেকর্ড চলাকালীন সময় আমি একটু কনফিউজড ছিলাম কারন, আমি তোমার সাথে বন্ধু হিসেবে কথা বলছিলাম, কিন্তু তুমি যে ইন্টারভিউ নিতেছো সেটাও খেয়ালে ছিল। সো অনেক নার্ভাস হাসি ছিলো। আসলে যেহেতু আমি খুব ‘ফ্র্যাগমেন্টেড’ একটা মানুষ, তাই খুব গোছায়া কিছু বলতে পারি না। কিন্তু যখন আমি এই রেকর্ডিংটা শুনছি, এটাকে অনেক গোছানো লাগছে। কথা বলতে বলতে আমি হাসছি, কথার মধ্যে অনেক গ্যাপ আছে, একটা কথা থেকে হুট করে অন্য কথায় চলে গেছি। অনেক জোক করছি, যেগুলা আমি হয়ত তোমার সাথে পার্সোনালি করতাম কিন্তু র‍্যান্ডমলি কারো সাথে করতাম না যেমন, যারা এইটা শুনবে বা এমনকি হয়তো তোমার টিমের অন্য কারো সাথেও না। আমি অন্য মানুষদের সামনে সাধারণত এই জোকগুলা করতাম না। সো আমি ভাবছি যে এরকম একটা সিরিয়াস আলাপ কীভাবে এমন লাফিং মুডে করতেছি, যদিও আমি অনেক ধরণের ট্রমার কথা বলেছি। কিন্তু যেহেতু অনেক কথা আমি পুরাপুরি শেষ করি নাই, সেগুলা শুনে মনে হচ্ছে ‘হাহাহা, তারপর এটা হইছিল’। আমি তোমাকে যেগুলা বলার চেষ্টা করেছি, সেগুলা আসলে খুবই ভারী আলাপ। কিন্তু এটা আসলে আমার নিজেরই ইস্যু। আমার স্মৃতি থেকে কথা বলতে সমস্যা হয়। এইটা একটা ব্যাপার… আমি সাধারণত যে কোনো কথা বলার সময় ঐটা সম্পর্কে মনযোগ ও সতর্কতা রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু যখন কোনো কিছু আমার স্মৃতি থেকে বলি তখন পারি না, কারণ অনেক কিছু স্মৃতির মধ্যে থেকে সামনে চলে আসে, সেগুলা থামাতে পারি না। আমি অনেক কিছু বলছি যেগুলা আসলে সঠিক তথ্য না বা আমি ভুলভাবে ওগুলা মনে রাখছি। এর কারণ আমি একটা ফ্রাগমেন্টেড মানুষ আর অতীতে অনেকে আমাকে গ্যাসলাইট করছে। আমার আত্মবিশ্বাস মুহুর্তেই একশো থেকে শূন্যতে নেমে যায়।
If It’s Not Gali, Why Does It Feel Like That

Before I went to college [in the U.S.], I wish somebody had sat me down and told me that culturally understanding racism is different from reading about it. I had to come into this understanding that ‘OK, there are things that are systemically out of my hands and it's really not a me problem.’ From a lot of my childhood experiences, I had internalized that these are all ‘me problems’. So when things weren't working out... I mean, I saw that I was trying or I was being friendly. I was doing things that the other white kids were doing but people were not mixing with me. I was used to being called a lesbo or whatever. But I hadn't expected that I'd be called that even there [in the USA]. I had been called a faggot in Bangladesh. I hadn't expected I would be called that there or it would become an issue. It took me some time to come to terms with all those things. OK, yes, I didn't expect it to be Hollywood. But I also didn't expect that kind of... I think the racial bigotry was the thing for me — how rich the kids were and how white they were. I think that was the biggest deal. I developed a lot of insecurities when I was in college. But you know, the word 'insecurity' is not enough to describe it properly. It was more like my worldviews just did not exist there, it just didn't exist at all. Like, something as basic as Palestine was something we weren't able to talk about in our campus. Why did no one talk about it? When that political understanding grew in me it was already late in the final year of college. I had good friends who sat down and debated with me that America went to Afghanistan to do good. There was a lot of pressure to prove that I am either one of the good third world kids or to prove that not all brown people are bad. It was something like becoming a native informant. I went there to study physics and mathematics. In the classroom, the atmosphere was that an international student can say [inappropriate] things only to another international student. This is a very specific dynamic that I'm talking about. So international students would say something that's not PC to each other, but the American kids wouldn’t say it to you. But the American kids would laugh along. And suppose there was someone, say it's a kid from Georgia (the country), who says something about Bangladeshis, that “You have a lot of population. People in your country must have sex like rabbits.” Or things like, “Do you have any space? Do you even know what space is because everyone is so cramped together?” If three of them were together then the brown bashing would get bad and sometimes their brown friends would say, “If he called you third world, what does it matter? Aren't you from the third world?” But you know, I had the cognitive dissonance of “OK, if it is not a cuss word, why does it feel like that?”

আমি কলেজে [ইউএসএ] পড়তে যাওয়ার আগে আমাকে কেউ যদি বলতো, যে কালচারালি বর্ণবাদ বোঝা আর বইতে এইটা নিয়া পড়ার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। আমাকে একটা বুঝের মধ্যে আসতে হইছে যে, ‘ওকে,অনেক জিনিস আছে যেইগুলা সিস্টেম্যাটিকালি আমার হাতের বাইরে এবং সেগুলা আমার নিজের সমস্যা না।’ ছোটো থেকে অনেক সিস্টেম্যাটিক সমস্যাকে আমার নিজের সমস্যা হিসেবে ভাবানো হইছে। তো যখন কোনো কিছু একটা ঠিকভাবে হতো না… মানে আমি দেখতাম যে আমি চেষ্টা করতেছি বা আমি ফ্রেন্ডলি হচ্ছি। অন্য সাদা মানুষেরা যা করছে আমিও তাই করছি, কিন্তু মানুষ আমার সাথে মিশতো না। এখানে আমাকে সচারচর লেসবো বা এইসব বলে ডাকতো, কিন্তু ওখানেও (আমেরিকায়) এমনটা ডাকবে বলে ভাবি নাই। বাংলাদেশে আমাকে ‘ফ্যাগট’ বলে ডাকছে, কিন্তু ওখানেও আমাকে ওভাবে ডাকবে ভাবি নাই, বা এটা যে একটা ইস্যু হবে তাও ভাবি নাই। এইসব জিনিসের সাথে মানায়া নিতে কিছুটা সময় লাগছে। ওকে, হ্যাঁ আমি হলিউড আশা করি নাই কিন্তু আবার এইগুলাও... আশা করি নাই। আমার মনে হয় বর্ণবাদী গোড়ামি সামনাসামনি দেখাটা আমার জন্য একটা ব্যাপার ছিল যে—পোলাপান কে কত বড়লোক, কে কত সাদা। আমার মনে হয় এটাই একটা বড় জিনিস ছিল। কলেজে পড়ার সময় আমার মধ্যে কিছু ইনসিকিউরিটিজ তৈরী হইছিল… 'ইনসিকিউরিটি' শব্দটা হয়তো এটা ব্যাখা করার জন্য যথেষ্ট না। অনেকটা এমন ছিল যে, আমার ওয়ার্ল্ডভিউ’র ওখানে কোনো অস্তিত্বই ছিল না। যেমন ধরো, ফিলিস্তনের মত একটা মৌলিক বিষয়ে আমাদের ক্যাম্পাসে কোনো কথা তুলতে পারি নাই। কেনো এটা নিয়ে কেউ কথা বলে নাই? যতদিনে আমার মধ্যে এই রাজনৈতিক বুঝ আসছে ততদিনে আমি ফাইনাল ইয়ারে উঠে গেছি। আমার অনেক ভালো বন্ধুরা ছিল, যারা আমার সাথে বসে এটা নিয়ে তর্ক করতো যে, হ্যাঁ, আমেরিকাতো ভাল কাজ করতেই আফগানিস্তানে ঢুকছে। সেখানে এইটা প্রমাণের একটা বিশাল চাপ ছিল যে হয় এক, আমি তৃতীয় বিশ্ব থেকে আসা একজন ভালো মানুষ, বা দুই, সব বাদামী লোক আসলে খারাপ না। এইটা অনেকটা ন্যাটিভ ইনফরম্যান্ট হওয়ার মত। আমি সেখানে রসায়ন ও গণিত পড়তে গেছিলাম। ক্লাসরুমে এমন অবস্থা ছিল যে একজন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট আরেকজন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরে উল্টাপাল্টা কথা বলতে পারবে। আমি এটা খুব নির্দিষ্ট একটা দিক নিয়ে বলছি। যেমন ধরো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টরা একজন আরেকজনকে এমন কিছু বলবে যা পলিটিকালি কারেক্ট না, হয়তো একজন আমেরিকান শিক্ষার্থী সরাসরি আমাকে সেটা বলবে না, কিন্তু তারা এটা নিয়ে হাসবে। এবং মনে করো, এর মধ্যে হয়তো কেউ একজন আছে যে জর্জিয়া (রাষ্ট্র) থেকে আসছে, যে বাংলাদেশিদের নিয়ে কিছু একটা বললো যে, "হ্যাঁ, তোমাদের দেশেতো অনেক মানুষ, তোমরাতো নিশ্চয়ই খরগোশের মত চোদো সারাক্ষণ", বা এমন সব কথা, "তোমাদের কি কোনো স্পেস সেন্স আছে নাকি? স্পেস বলতে কি বুঝায় তুমি কি তাও বোঝো, কারণ সবাই তো গাদাগাদি করে থাকো।” যদি তারা তিনজন একসাথে থাকে তখন তো বাদামী মানুষদের পচানো তুঙ্গে উঠে যায়, তখন ওদের সাথে বাদামী বন্ধুরা বলবে, “না, ও তো তোমাকে থার্ড ওয়ার্ল্ড ডাকছে, তো তোমার এত গায়ে লাগতেছে কেনো, তুমি তো থার্ড ওয়ার্ল্ডেরই?” কিন্তু, আমার বুঝের সাথে ওদের কথার সামঞ্জস্য পাইতাম না, “আচ্ছা, এইটা যদি গালিই না হয়, তাইলে এইটা গালির মত লাগে কেন?"
Are You Not A Lesbian

I did something really stupid. I came out to my mother after going back from my first year of college. Mother freaked out about me not being a virgin rather than me being bi. She asked, “Oh god, you’re not a lesbian?” To that, I replied, “No, that's not me. I also like men.” Then there was the whole thing about “do not have sex in my house”. She was really worried I would get pregnant and stuff. But somehow she knew three years ago, because she saw some pictures of me... When I went to India for a trip, she saw a picture of me with these two girls and said, “this one is lesbian.” After that I thought my dad knew because mother and father would share everything or that’s the vibe they gave off. My father didn't find out until third year and then our relationship got really bad because he just... One day when I was telling him a story, I said, “You may know it…” He said, “No, I didn't know that.” He was the one who told me to read about feminism. He had Derrida, Foucault and others in our house. But to me it was really strange that this person was thinking that I can have gay friends but my child can't be gay or queer. I said, “Let's talk about this.” He said, “No, if you start talking philosophy to me I can't argue with you.”

আমি স্টুপিডের মত একটা কাজ করছিলাম। কলেজের ফার্স্ট ইয়ার শেষ করে যাওয়ার পরে মা’র কাছে কাম আউট করছিলাম। মা আমি যে বাই (সেক্সচুয়াল) সেটা নিয়ে না কিন্তু আমি যে ভার্জিন না সেইটা নিয়া ফ্রিক আউট করছিল। সে জিজ্ঞেস করছিল, “ওহ গড, তুমি না লেসবিয়ান?" আমি বলছি, “না, আমার ছেলেদেরও ভালো লাগে।” সবকিছু শুনে সে বলছে, “আমার বাসায় সেক্স করবা না”। তার আসল দুশ্চিন্তা ছিল আমি যদি প্রেগন্যান্ট হয়ে যাই! কিন্তু আসলে মা আরো তিন বছর আগেই এইটা জানতো কারণ, যখন আমি ভারত থেকে ঘুরে আসছি তখন সে দুইটা মেয়ের সাথে আমার ছবি দেখছিল,আর একজনকে দেখিয়ে বলছিল, “এটাতো লেসবিয়ান!” তো পরে আমি ভেবেছিলাম যে আব্বু জানতো। কারণ আম্মু আর আব্বু তাদের মধ্যে সবকিছুই শেয়ার করে, অথবা তাদের ভাব দেখে এমন মনে হত। আমার আব্বু আমি থার্ড ইয়ারে ওঠার আগ পর্যন্ত এইটা জানতো না, এবং তারপরে তার সাথে আমার সম্পর্ক খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল কারন সে জাস্ট… একদিন আমি তাকে একটা গল্প বলতেছিলাম, তখন আমি বললাম, “তুমি হয়তো এটা জানো।” সে বলছে, “নাতো, এমন কিছুতো জানতাম না।” মূলত সেই আমাকে নারীবাদ নিয়ে পড়তে বলেছিল। আমাদের বাসায় তার কালেকশনে দেরিদা, ফুঁকো এইসব আছে। কিন্তু আমার কাছে এই মানুষটার এটা অবাক লাগে, সে ভাবছে আমার গে বন্ধু থাকতে পারবে, কিন্তু আমার বাচ্চা গে বা কুইয়ার হতে পারবে না। তো আমি তাকে বলছি, “ চলো এটা নিয়ে কথা বলি।” সে বলছে, “না, তুমি আমার সাথে ফিলোসফি বলা শুরু করলে আমি তোমার সাথে পারবো না।”
Lonely In A Way

Going from the kind of politics that I was doing on campus, what we called radical queer trans politics or whatever... After coming back [to Bangladesh], I faced a lot of difficulties. It was very lonely in a way because there weren’t a lot of queer feminists. There weren’t a lot of people who looked like me. There were a lot of cis spaces and a lot of gay men. When I went to those spaces, mixed with them, I saw that those spaces have their own politics. They have their own rules and things. It took me time to learn and cope with them. In some places, I was read as a ‘brother’. In other spaces, I was read as a ‘lesbian sister’. These sorts of incidents were very triggering for me. Some spaces were very sexualized. But you know, there were all strangers in those spaces. Anyway, maybe the other people there knew what was going on, and I didn’t know what was going on. It took me a lot of time to understand and process these things.

ভার্সিটিতে যে ধরণের রাজনীতি করে আমি বাংলাদেশ গিয়েছি, যেমন যেগুলাকে আমরা র‍্যাডিকাল কুইয়ার ট্রান্স রাজনীতি বা যাই বলতাম না কেন। ফেরত এসে আমি অনেক কিছুতে বাড়ি খাইছি, এবং এক ধরণের ‘লোনলিনেস’ ছিল কারণ এখানেত কুইয়ার ফেমিনিস্টের সংখ্যা খুব বেশি না। আমার মত দেখতে খুব বেশী লোক পাই নাই। অনেক সিস ধরণের জায়গা ছিলো এবং গে ব্যাটা ছিল। ধরো যখন ঐ জায়গাগুলোতে মিশতেছি, হ্যাঁ, ঐ জায়গাগুলোর নিজস্ব রাজনীতি ছিল, তাদের নিয়ম কানুন ছিল, ওগুলা শিখে মানাই নিতে সময় লাগছে আমার। কোনো একটা যায়গায় হয়তো আমাকে ‘ভাই’ বলে ডাকছে, আবার কোথাও হয়তো ‘লেসবিয়ান আপু’, আমার জন্য এইগুলা ফাটায় ট্রিগারিং ছিল। কিছু জায়গা আবার খুবই সেক্সুয়ালাইজড ছিল। কিন্তু ওখানে অনেক অপরিচিত মানুষজন ছিল। যাইহোক, হয়তো অন্যরা জানে এখানে কি হচ্ছে, কিন্তু আমি জানতাম না, মানে এইসব বুঝতে ও প্রসেস করতে আমার অনেক সময় লাগছে।